সুনির্দিষ্ট প্রশ্ন দিয়ে শুরু করে জানা তথ্য থেকে অজানার দিকে এগোন
নিজেকে দিয়ে অথবা সবচেয়ে কাছের যে প্রজন্মের আত্মীয় সম্পর্কে যথেষ্ট নথি আছে তাঁকে দিয়ে শুরু করুন। তারপর প্রতিবার একটি সম্পর্ক যাচাই করে পেছনের দিকে এগোন। খোঁজার আগে নির্দিষ্ট ব্যক্তি, স্থান, সময়কাল ও যে প্রশ্নের উত্তর চান তা লিখুন। অনুমতি নিয়ে আত্মীয়দের সাক্ষাৎকার নিন, প্রতিটি স্মৃতি কে জানিয়েছেন তা রাখুন এবং জীবিত ব্যক্তিদের গোপনীয়তা রক্ষা করুন। নাম, পারিবারিক গল্প ও অনলাইনের বংশতালিকা উপযোগী সূত্র, কিন্তু নথি ও সতর্ক তুলনা পরিচয় বা সম্পর্ককে সমর্থন না করা পর্যন্ত সেগুলো অনুমানই থাকে।
বিভিন্ন উৎসে খুঁজুন, মূল নথি দেখুন এবং ব্যবহৃত উৎসের উল্লেখ রাখুন
স্থান ও সময়কাল অনুযায়ী নাগরিক নিবন্ধন, গির্জার প্যারিশের খাতা, আদমশুমারি, উত্তরাধিকারসংক্রান্ত নথি, সংবাদপত্র, অভিবাসন, জমি ও সামরিক নথি ব্যবহার করুন। নামের ভিন্ন বানান ও কাছের আত্মীয়দেরও খুঁজুন; তারপর শুধু সূচির ওপর নির্ভর না করে ছবি বা মূল নথি খুলুন। সংরক্ষণকারী প্রতিষ্ঠান, সংগ্রহ, খণ্ড, পৃষ্ঠা বা ছবির নম্বর, স্থায়ী লিংক ও দেখার তারিখ রাখুন। নথির বক্তব্যকে নিজের সিদ্ধান্ত থেকে আলাদা রাখুন এবং ফল না পাওয়া অনুসন্ধানও লিখুন, যাতে গবেষণা আবার যাচাই করা যায়।
অনিশ্চয়তা, পর্যালোচনা ও তথ্য স্থানান্তরের সুযোগ রেখে বৃক্ষ গড়ুন
প্রতিটি নাম, ঘটনা ও সম্পর্কের সঙ্গে সহায়ক উৎসের উল্লেখ যুক্ত করুন। প্রমাণের মূল্যায়ন না হওয়া পর্যন্ত বিরোধী তারিখ, বানান বা মা-বাবার ভিন্ন তথ্য দৃশ্যমান রাখুন। অন্য উৎসের বক্তব্য না মুছে কেন একটি সিদ্ধান্তকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে তা লিখুন। অমীমাংসিত প্রশ্নের জন্য গবেষণার কাজ ও দিনলিপি রাখুন, সহযোগীদের শুধু প্রয়োজনীয় প্রবেশাধিকার দিন এবং অপূরণীয় গবেষণার স্বতন্ত্র রপ্তানি কপি সংরক্ষণ করুন। পরিবর্তনের স্পষ্ট ইতিহাস বংশতালিকা সংশোধন, ভাগ করে নেওয়া এবং পরবর্তী প্রজন্মে গবেষণা চালানো সহজ করে।